বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা নদী বন্দরের উপপরিচালক এসএম সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, মাতৃদুগ্ধ কেন্দ্র স্থাপন, সুপেয় পানি সরবরাহ করাসহ নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২২টি লঞ্চ ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১২টি লঞ্চ যাত্রী পারাপারে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ৪১টি স্পিড বোট যাত্রী পারাপারেে নিয়োজিত রয়েছে। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মো.খালেদ নেওয়াজ বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে আগের মতো যানবাহনের চাপ নেই। ঈদের সময় যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও ঘাটে পর্যাপ্ত ফেরি থাকায় কোনো ভোগান্তি হবে না। পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট মাঝারি ও বড় মিলে মোট পনেরটি ফেরি সচল রয়েছে। পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান বিপিএম জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারোবাড়িয়া হতে পাটুরিয়া-আরিচা ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুরো ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা করছেন। জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার দৈনিক ভোরের কাগজকে বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট সব কার্যালয়কে নিয়ে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।  "/>

পাটুরিয়া-আরিচা নৌ-রুটে যাত্রী কম লঞ্চ, স্পীড বোট মালিকরা দুশ্চিন্তায়

জাতীয়, ৭ এপ্রিল ২০২৪, 51 বার পড়া হয়েছে,

সুরেশ চন্দ্র রায়, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি।

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পাটুরিয়া- দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুট। কিন্তু চলতি ঈদে রুটে ঘরমুখো মানুষের উপস্থিতি কম হওয়ায় লঞ্চ, স্পীড বোট মালিক ও সংশ্লিষ্টদের মাঝে বিরাজ করছে চরম হতাশা ও দুশ্চিন্তা।

স্থানীয়দের সাথে কঘা বলে জানা যায়,
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার আগে এই রুটের দুই ঘাট মিলে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৭ হাজার গাড়ি পারাপার করতো। ঈদ মৌসুমে এ যানবাহনের পারাপারের হার আরো বেড়ে যেতো বহুগুণ। কিন্তু পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে এ নৌরুটে যানবাহন পারাপারের হার অর্ধেকে নেমে এসেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

আরিচা ঘাটের ব্যবস্থাপক (বিআইডব্লিউটিসি) আবু আব্দুল্লাহ বলেন, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ঈদে ১৫০-২০০ ছোট গাড়ির চাপ বাড়ে। আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে পাঁচটি ফেরি চলাচল করছে।

গোলড়া হাইওয়ে পুলিশের ওসি সুকেন্দ বসু এবং বরংগাইল হাইওয়ে পুলিশের ওসি মো. ইব্রাহিম বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসন ও ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচা নদী বন্দরের উপপরিচালক এসএম সাজ্জাদুর রহমান বলেন, আসন্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে অস্থায়ী টয়লেট নির্মাণ, মাতৃদুগ্ধ কেন্দ্র স্থাপন, সুপেয় পানি সরবরাহ করাসহ নানা প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২২টি লঞ্চ ও আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ১২টি লঞ্চ যাত্রী পারাপারে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটে ৪১টি স্পিড বোট যাত্রী পারাপারেে নিয়োজিত রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম শাহ মো.খালেদ নেওয়াজ বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে আগের মতো যানবাহনের চাপ নেই। ঈদের সময় যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়লেও ঘাটে পর্যাপ্ত ফেরি থাকায় কোনো ভোগান্তি হবে না। পাটুরিয়া দৌলতদিয়া নৌরুটে ছোট মাঝারি ও বড় মিলে মোট পনেরটি ফেরি সচল রয়েছে।

পুলিশ সুপার গোলাম আজাদ খান বিপিএম জানান, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারোবাড়িয়া হতে পাটুরিয়া-আরিচা ঘাট পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহস্রাধিক পুলিশ সদস্য কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুরো ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা করছেন।

জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার দৈনিক ভোরের কাগজকে বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট সব কার্যালয়কে নিয়ে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।