বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টি আসনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা। সমঝোতার কারনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনটি মহাজোটের শরীকদল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামীলীগ। গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬টি আসনের মধ্যে ৪টি আসনে বিজয়ী হন আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা ও ২টি আসনে বিজয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের বহিষ্কৃত উপদেষ্টা, বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ এ.কে একরামুজ্জামান (কলার ছড়ি) ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন-(নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৮৯ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনটি সমঝোতার কারনে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামীলীগ। এই আসনে আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন (কলার ছড়ি) ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব জাতীয় পার্টির (রওশন গ্রæপ) স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল প্রতিক) পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (নৌকা প্রতিক) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান (কাঁচি প্রতিক) পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) শাহীন খান-(আম প্রতিক) পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৮৬ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫-(নবীনগর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান-(নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ১লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ মোবারক হোসেন- ( লাঙ্গল প্রতিক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৮ ভোট। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬-(বাঞ্ছারামপুর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম-(নৌকা প্রতিক) ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭০ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ আমজাদ হোসেন পেয়েছেন (লাঙ্গল প্রতিক) পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৭ ভোট। ভোট গগনা শেষে রাতে নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষনা করেন।"/>

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলেন

জাতীয়, বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, ৯ জানুয়ারি ২০২৪, 31 বার পড়া হয়েছে,

বিশেষ প্রতিনিধি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৫টি আসনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা। সমঝোতার কারনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনটি মহাজোটের শরীকদল জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামীলীগ।

গত রোববার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৬টি আসনের মধ্যে ৪টি আসনে বিজয়ী হন আওয়ামীলীগের প্রার্থীরা ও ২টি আসনে বিজয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের বহিষ্কৃত উপদেষ্টা, বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ এ.কে একরামুজ্জামান (কলার ছড়ি) ৮৯ হাজার ৪২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য বি.এম. ফরহাদ হোসেন-(নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ৪৬ হাজার ১৮৯ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনটি সমঝোতার কারনে জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয় আওয়ামীলীগ।

এই আসনে আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মঈন (কলার ছড়ি) ৮৪ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব জাতীয় পার্টির (রওশন গ্রæপ) স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা (ঈগল প্রতিক) পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৪৩১ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (নৌকা প্রতিক) ১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব আওয়ামীলীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান (কাঁচি প্রতিক) পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৩৭ ভোট। বিজয়ী প্রার্থী র.আ.ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী প্রধান মন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪-(কসবা-আখাউড়া) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) শাহীন খান-(আম প্রতিক) পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৮৬ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫-(নবীনগর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান-(নৌকা প্রতিক) পেয়েছেন ১লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ মোবারক হোসেন- ( লাঙ্গল প্রতিক) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৭৮ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬-(বাঞ্ছারামপুর) আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অবঃ) এবি তাজুল ইসলাম-(নৌকা প্রতিক) ১ লাখ ৯৩ হাজার ৮৭০ ভোট পেয়ে পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ আমজাদ হোসেন পেয়েছেন (লাঙ্গল প্রতিক) পেয়েছেন ২ হাজার ৮১৭ ভোট। ভোট গগনা শেষে রাতে নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল ঘোষনা করেন।