বিজয়নগরে হত্যা মামলার প্রধান আসামী আখাউড়ায় গ্রেপ্তার

বিজয়নগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩, 35 বার পড়া হয়েছে,

রাইট টাইমস ২৪ ডেস্ক: 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী ভূইয়া (৪৮) নামে ছোট ভাইকে হত্যার অভিযোগে বড় ভাই মোহাম্মদ ইসহাক আলী ভূইয়া(৫০)কে গ্রেপ্তার করেন বিজয়নগর থানার পুলিশ।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর)রাতে বিজয়নগর উপজেলার পার্শ্ববর্তী উপজেলা আখাউড়া থেকে নানা কৌশল এবং প্রযুক্তির সহায়তা আসামীর অবস্থান সনাক্ত করে প্রায় এক ঘন্টা অভিযান চালিয়ে হত্যা মামলার পলাতক প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ ইসহাক আলী ভূইয়া-উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের শ্রীপুর বড়বাড়ি এলাকার সুরুজ আলী ভূইয়ার ছেলে।

এ ব্যাপারে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মোঃ রাজু আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি ঘটনার সতত্যা নিশ্চিত করে বলেন,উপজেলার সিংগারবিল ইউনিয়নের শ্রীপুর বড়বাড়ি এলাকার সুরুজ আলী ভূইয়ার দুই ছেলে ইসহাক আলী ভূইয়া ও ইয়াকুব আলী ভূইয়া পৈতৃক সম্পত্তির বণ্টন নিয়ে ছোট ভাইকে হত্যা করে বড় ভাই মোহাম্মদ ইসহাক আলী ভূইয়া পালিয়ে যান।এ ঘটনায় বিজয়নগর থানায় নিহতের বড় ভাইকে প্রধান আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

তিনি আরো বলেন,ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ সুপার জনাব,মোহাম্মাদ শাখাওয়াত হোসেন মহোদয় ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং (বিজয়নগর থানার সার্কেল)মহোদয়ের দিকনির্দেশনায়,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে থানার এসআই মোঃ শরীফুল ইসলামের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সদের সমন্বয়ে পার্শ্ববর্তী আখাউড়া উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ছোট ভাইকে হত্যার অভিযোগে মামলার প্রধান আসামী বড় ভাই মোহাম্মদ ইসহাক আলী ভূইয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

উল্লেখ,পৈতৃক সম্পত্তির বণ্টন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভাই ইসহাক আলী ভূইয়া সঙ্গে ইয়াকুব আলী ভূইয়ার বিরোধ চলে আসছিল। গত (২১নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে ইসহাক আলী ভূইয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে ইয়াকুব আলী ভূঁইয়ার উপর হামলা করে। এক পর্যায়ে ইসহাক আলী ভূঁইয়া তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে ইয়াকুব আলীর মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইয়াকুব আলী ভূঁইয়া।এর পর থেকে প্রধান আসামী ইসহাক আলী ভূইয়া পলাতক ছিলেন।