মাধবপুরে ধর্মঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদন। আওয়াল সভাপতি, পলাশ সম্পাদক

সারাদেশ, সিলেট, হবিগঞ্জ, 10 March 2022, 179 বার পড়া হয়েছে,

কাওছার আহমদ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়ন শাখা আওয়ামী লীগের ৬৯সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল আউয়ালকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং মেজবাহুল বর পলাশকে সাধারণ সম্পাদক করে গত ২৮ফেব্রুয়ারি ২০২২ খ্রি. তারিখ ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকে আগামী তিন বছরের জন্য অনুমোদন দেয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আতিউর রহমান আতিক এ কমিটি অনুমোদন করেন। উল্লেখ্য যে ধর্মঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ পারুল গত ৫ই জানুয়ারি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক বহিস্কৃত হন। ফলে কমিটি পুনর্গঠন এর আবশ্যকতা সৃষ্টি হয়। কমিটিতে ইমরান আহাম্মদ তরু ও ফরিদ মিয়া সহ ৬জন সহ সভাপতি, মোঃ তৈয়ব আলী ও মোঃ রুহুল আমিন রুবেল যুগ্মসাধারণ সম্পাদক, মোঃ আবুল কাশেম গেদু ও মোঃ আক্তার হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক, মোঃ হুমায়ুন কবীর আইন বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ ফিরোজ মিয়া প্রচার সম্পাদক, মোঃমিনার মিয়া কৃষি ও সমবায় সম্পাদক, মোঃসুজন মিয়া তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক, মোঃ কামাল পাশা ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, মোঃইউনুছ আলী দপ্তর সম্পাদক, মোঃ শোয়াইব আহমেদ ফারুক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক, মোঃ আসর আলী বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ বাবুল মিয়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, মোছাঃ মমতাজ বেগম মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ আলাউদ্দিন মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ সোহেল মিয়া যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, মোঃ হাবিবুর রহমান সবুজ শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক,বাহারুল ইসলাম সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও মোঃআদুস সোবানকে কোষাধক্ষ করে ৬৯সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। গত ২০২০ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রত্যক্ষ ভোটে ফারুক আহমেদ পারুল সভাপতি ও মেজবাহুল বর পলাশ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির মতবিরোধের কারণে গত দুই বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিতে পারেননি তারা। পরে ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক মেজবাহুল বর পলাশকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করেন আওয়ামী লীগ। এসময় ফারুক আহমেদ পারুল বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন।