রাজশাহী মেডিকেলের করোনা ওয়ার্ডে আরও ২২ মৃত্যু

রাজশাহী, 1 July 2021, 264 বার পড়া হয়েছে,

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৯টা থেকে বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) সকাল ৯টার মধ্যে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। রামেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ২৯ জুন করোনা ইউনিটে সর্বোচ্চ ২৫ জন মারা যান। করোনা শনাক্তের পর হাসপাতালে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড এটি।

এর আগে জুন মাসের ৩০ দিনে এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ৩৭৭ জন। এর মধ্যে ১৭২ জনই মারা গেছেন করোনা শনাক্তের পর। বাকিরা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

রামেক পরিচালক জানান, নতুন মৃতদের ১৪ জন রাজশাহীর (পজেটিভ ১১, উপসর্গে ৫), চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১ জন (উপসর্গে ১), নাটোরের ১ জন (উপসর্গে), নওগাঁয় ৫ জন (পজেটিভ ১, উপসর্গে ৩ ও নেগেটিভ হওয়ার পর ১) ও ঝিনাইদহের ১ জন। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় রামেক হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৬৬ জন। এর মধ্যে রাজশাহীর ৪৭, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৭, নাটোরের ৪, নওগাঁর ৪, পাবনার ১, কুষ্টিয়ার ১ ও জয়পুরহাটের ১ জন। একই সময় সুস্থ্য হয়েছে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৬ জন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এ হাসপাতালের ৪০৫ বেডের বিপরীতে করোনা ও উপসর্গের রোগী ভর্তি রয়েছেন ৪৬২ জন। বুধবার ভর্তি ছিলেন ৪৬০ জন। অতিরিক্ত বেডের ব্যবস্থা করে অতিরিক্ত রোগিদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এরমধ্যে রাজশাহীর ৩০৩ জন, চাঁপাইয়ের ৫৬, নাটোরের ৩৫, নওগাঁর ৪৩, পাবনার ১৬, কুষ্টিয়ার ১, চুয়াডাঙ্গার ১, জয়পুরহাটের ১, দিনাজপুরের ১ ও মেহেরপুরের ১ জন।

রামেক পরিচালক জানান, বুধবার রাজশাহীর দুই ল্যাবে তিন জেলার ৫৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজেটিভ হয়েছে ২৪৮ জনের। এদিন রাতে প্রকাশিত দু’টি পিসিআর ল্যাবের নমুনার ফলাফলে দেখা যায়, রাজশাহী শনাক্তের হার ৩৯.০৯%, চাঁপাইনবাবগঞ্জে শনাক্তের হার ৩৭.৯৩% ও নওগাঁয় ৬৩.৫৬%।

করোনা এবং উপসর্গে গত ১ জুন সাত, ২ জুন সাত, ৩ জুন নয়, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন আট, ৬ জুন ছয়, ৭ জুন ১১, ৮ জুন আট, ৯ জুন আট, ১০ জুন ১২, ১১ জুন ১৫, ১২ জুন চার, ১৩ জুন ১৩, ১৪ জুন ১২, ১৫ জুন ১২, ১৬ জুন ১৩, ১৭ জুন ১০, ১৮ জুন ১২, ১৯ জুন ১০, ২০ জুন ১০, ২১ জুন ১৩, ২২ জুন ১৩ জন, ২৩ জুন ১৬, ২৪ জুন ১৮, ২৫ জুন ১৪, ২৬ জুন ১৭, ২৭ জুন ১০, ২৮ জুন ১৪, ২৯ জুন ২৫ ও ৩০ জুন ১২ জন মারা যান।