বিজয়নগরের শ্যামলী ঘাট যেন পতিতালয়

বিজয়নগর, 20 June 2020, 2822 বার পড়া হয়েছে,

এইচ.এম জহিরুল ইসলাম: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চান্দুরা ইউনিয়নের শ্যামলী ঘাট নামক এলাকায় গড়ে উঠেছে কিছু অবৈধ হোটেল স্থাপনা। আর এই হোটেল গুলো যেন মনে হয় পতিতালয়। পতিতালয়ের পাশ দিয়ে কেউ হেটে গেলে যেমন কাষ্টমারের জন্য ছুটাছুটি করে, তেমনি শ্যামলী ঘাটের পাশ দিয়ে গেলেও উড়তি বয়সের যুবতী মেয়েরা তাদের দোকানে আসার জন্য ডাকাডাকি করতে থাকে। অনেক সময় দেখা যায়, উড়তি বয়সের যুবতী মেয়েরা ট্রাক ড্রাইভারদের সাথে হ্যান্ডশেক করে আদর সোহাগে তাদেরকে হোটেলে নিয়ে গিয়ে হাতাহাতি করে। এতে করে সুন্দরী মেয়েদের আশায় এই শ্যামলী ঘাট হাইওয়ের পাশে কাষ্টমাররা ভীড় জমায়। হোটেল মালিকরা এইসব সুন্দরী মেয়েরার মাধ্যমে খাবার পরিবেশন করে চড়া মুনাফা অর্জন করে। অনেক সময় মেয়েদের মাধ্যমে ট্রাক ড্রাইভার ও এলাকার যুবকদের মাঝে মদ,গাজা ও ইয়াবা পাচার করে থাকে বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিটি হোটেলে কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচ জন সুন্দরী উড়তি বয়সের মেয়েরা রয়েছেন। তাদের মাধ্যমে হোটেল মালিকরা রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। হোটেল মেয়েদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সুন্দরী মেয়ে জানান, তাদেরকে মালিকরা দৈনিক ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা হাজিরা দিয়ে থাকেন এবং কাষ্টমররা তাদেরকে আদর আপ্যায়ন অনুযায়ী ৫০ টাকা,১০০ টাকা,৩০০ টাকা বখশিশ দিয়ে থাকেন ।দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে হোটেল মালিকরা ওই সুন্দরী মেয়েদেরকে সরবরাহ করে থাকেন। অনেক সুন্দরী মেয়েরা মালিকের বাড়িতে থাকেন আবার অনেকে ভাড়াটিয়া ঘরে থাকেন। এ বিষয়ে চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, এ এম শামিউল হক চৌধুরী বলেন, এ ব্যাপারে উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় আমি ও কাজী হারিছুর রহমান সহ অনেকে বক্তব্য রেখেছি তারপরও কোন কাজে আসছে না । ওই সুন্দরী মেয়েরা মাদক পাচার সহ বিভিন্ন অসমাজিক কাজের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাহলে কেন প্রশাসন এর বিহিত ব্যবস্থা নিচ্ছে না ? উক্ত বিষয়ে বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আতিকুর রহমান জানান, এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন অভিযোগ করে নাই তবে প্রমান পেলে এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্তা নেওয়া হবে।