লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি:  করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বিশ্ববাসী। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ সবসময় রাস্তায় কাজ করতে হয়। ফলে করোনা ভাইরাসে সবচাইতে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। তাই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে এক ট্রাফিক পরিদর্শক ফারুক আল মামুন ভুইয়া। সারাবিশ্বে আতঙ্ক ছড়ানো করোনা ভাইরাস বাংলাদেশেও ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় এ ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের কয়েকটি এলাকা শাটডাউনসহ সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে নিজেদের রুটিনওয়ার্ক করে যাচ্ছে ট্রাফিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। হাত ধোয়া ছাড়া তাদের সুরক্ষায় নেয়া হয়নি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা। সারাদিন জনসেবা দিতে ভিড়ের মধ্যে থাকার পর রাতেও বেশ । অবশ্য বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হলেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক কাজ করছে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের অনেক সদস্যের মাঝে। সম্প্রতি কয়েক হাজার বিদেশ ফেরতদের যে তালিকা তৈরি করে সারাদেশে পাঠানো হয়েছে তা তদারকির মূল কাজ করছে মাঠ পুলিশ রাস্তায় গাড়ি চেকিংয়ের দায়িত্বে ট্রাফিক পুলিশ। বিদেশফেরতরা বাড়ি আছেন কিনা, হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের পারসোনাল প্রটেক্টটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিআই) বলতে কিছুই নেই। ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছে সারাদেশের পুলিশ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের। এদের অনেককে ফেস মাস্ক ও গ্লাভস দেয়া হলেও তারা যেভাবে মানুষের সংস্পর্শে কাজ করছে তাতে করোনা প্রতিরোধের কোনো সক্ষমতাই নেই। আবার কোনো পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলে তাদের আলাদাভাবে চিকিৎসার তেমন কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। এদিকে সারাদিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাজ করলেও একটি মাস্ক ব্যবহার করা ছাড়া তেমন কোনো ব্যবস্থাই নেই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। কয়েকটি থানায় মাস্ক ও গ্লাভস পৌঁছালেও জুটছে না সবার কপালে। ফলে বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে হাত ধোয়া ও সচেতন থাকার চেষ্টা করছেন তারা। মাধবপুর ও চুনারুঘাট জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ফারুখ আল মামুন ভুইয়া বলেন, ট্রাফিক পুলিশকে সারাদিনই রাস্তায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। যানবাহনের কাগজ চেক করার জন্য অন্যের সংস্পর্শে যেতে হয়। কিন্তু কার্যত তেমন কোনো ব্যবস্থা আমাদের নেই। নিজ উদ্যোগে ট্রাফিক হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছি। পরিবার ও নিজের কথা চিন্তা করে আমরা যতটা সম্ভব নিজ থেকে সতর্ক থাকার চেষ্টা করছি। বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। সাধারণ মানুষকে অহেতুক ভিড় করতে দেয়া হচ্ছে না। সবার জন্যই হাত ধুয়ে প্রবেশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে, বাজারে মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সরবরাহ কম থাকায় পর্যাপ্ত সরবরাহ করা যাচ্ছে না। চেষ্টা করা হচ্ছে এগুলোর সঙ্গে করোনা প্রতিরোধী পোশাকের ব্যবস্থা করার।"/>

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ঝুকিতে ট্রাফিক পুলিশ,

সিলেট, 6 April 2020, 331 বার পড়া হয়েছে,

 লিটন পাঠান মাধবপুর প্রতিনিধি: 

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বিশ্ববাসী। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে। ট্রাফিক পুলিশ সবসময় রাস্তায় কাজ করতে হয়। ফলে করোনা ভাইরাসে সবচাইতে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ট্রাফিক পুলিশ। তাই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করছে এক ট্রাফিক পরিদর্শক ফারুক আল মামুন ভুইয়া। সারাবিশ্বে আতঙ্ক ছড়ানো করোনা ভাইরাস বাংলাদেশেও ব্যাপকভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় এ ভাইরাস প্রতিরোধে দেশের কয়েকটি এলাকা শাটডাউনসহ সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে সরকার। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সরকারি বেসরকারি অফিস ও প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরমধ্যেই ঝুঁকি নিয়ে নিজেদের রুটিনওয়ার্ক করে যাচ্ছে ট্রাফিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। হাত ধোয়া ছাড়া তাদের সুরক্ষায় নেয়া হয়নি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা। সারাদিন জনসেবা দিতে ভিড়ের মধ্যে থাকার পর রাতেও বেশ । অবশ্য বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতায় বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হলেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক কাজ করছে পুলিশের মাঠ পর্যায়ের অনেক সদস্যের মাঝে। সম্প্রতি কয়েক হাজার বিদেশ ফেরতদের যে তালিকা তৈরি করে সারাদেশে পাঠানো হয়েছে তা তদারকির মূল কাজ করছে মাঠ পুলিশ রাস্তায় গাড়ি চেকিংয়ের দায়িত্বে ট্রাফিক পুলিশ। বিদেশফেরতরা বাড়ি আছেন কিনা, হোম কোয়ারেন্টাইন মানছেন কিনা, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশ। যদিও পুলিশের পারসোনাল প্রটেক্টটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিআই) বলতে কিছুই নেই। ঝুঁকি নিয়েই কাজ করছে সারাদেশের পুলিশ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলা হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের। এদের অনেককে ফেস মাস্ক ও গ্লাভস দেয়া হলেও তারা যেভাবে মানুষের সংস্পর্শে কাজ করছে তাতে করোনা প্রতিরোধের কোনো সক্ষমতাই নেই। আবার কোনো পুলিশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলে তাদের আলাদাভাবে চিকিৎসার তেমন কোনো ব্যবস্থাই নেয়া হয়নি। এদিকে সারাদিন রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাজ করলেও একটি মাস্ক ব্যবহার করা ছাড়া তেমন কোনো ব্যবস্থাই নেই ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের। কয়েকটি থানায় মাস্ক ও গ্লাভস পৌঁছালেও জুটছে না সবার কপালে। ফলে বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে হাত ধোয়া ও সচেতন থাকার চেষ্টা করছেন তারা। মাধবপুর ও চুনারুঘাট জোনের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ফারুখ আল মামুন ভুইয়া বলেন, ট্রাফিক পুলিশকে সারাদিনই রাস্তায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। যানবাহনের কাগজ চেক করার জন্য অন্যের সংস্পর্শে যেতে হয়। কিন্তু কার্যত তেমন কোনো ব্যবস্থা আমাদের নেই। নিজ উদ্যোগে ট্রাফিক হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছি। পরিবার ও নিজের কথা চিন্তা করে আমরা যতটা সম্ভব নিজ থেকে সতর্ক থাকার চেষ্টা করছি। বাকিটা সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা। সাধারণ মানুষকে অহেতুক ভিড় করতে দেয়া হচ্ছে না। সবার জন্যই হাত ধুয়ে প্রবেশ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে, বাজারে মাস্ক, হ্যান্ডওয়াশ ও হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সরবরাহ কম থাকায় পর্যাপ্ত সরবরাহ করা যাচ্ছে না। চেষ্টা করা হচ্ছে এগুলোর সঙ্গে করোনা প্রতিরোধী পোশাকের ব্যবস্থা করার।

Leave a Reply