জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের। ছবি-যুগান্তর

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, মিল মালিক নয়, সরকারীভাবে কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ধান নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে কিনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে বেসরকারী মালিকানাধীন গুদামগুলো সরকারী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ধান সংরক্ষণের উপযুক্ত করে ধান সংরক্ষণ করতে হবে।

শনিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় চাল রফতানি ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকট ঝুঁকি বহন করে। যথাযথ পরীক্ষা-নিরিক্ষা ছাড়া তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবেনা।

জিএম কাদের আরও বলেন, বোরো ধান নিয়ে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে। হতাশাগ্রস্থ কৃষকরা বোরো মৌসুমে ধান কাটছেনা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের বরাত দিয়ে প্রচারিত সংবাদে জানা গেছে, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকদের খরচ হয়েছে ৯০৬ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু বাজারে প্রতি মণ ধানের দাম ৫শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা। আবার ধান কাটতে একজন কৃষি শ্রমিককে তিন বেলা খাবারসহ মজুরি বাবদ খরচ হয় ৬শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। এতে কৃষকরা মাঠের ধান কাটতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।

জিএম কাদের বলেন, প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকায়। ঠিক তখন স্থানীয় বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি মন ১৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। কৃষকদের অভিযোগ মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে আমাদের কৃষি। কৃষকদের অভিযোগ, সরকার ধান ক্রয় করে মিল মালিকদের কাছ থেকে, এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায় না।

তিনি আরও বলেন, সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বিদেশে চাল রফতানি করতে বিবেচনা করছে। আমরা মনে করি, চাল রফতানির পূর্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ, কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে চাল/খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন হলে, দ্রুততার সঙ্গে আমদানি করা সম্ভব নয়। এতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আক্তার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব শফিকুল ইসলাম শফিক, জহিরুল আলম জহির, হাসিবুল ইসলাম জয়, কেন্দ্রীয় নেতা শফিউল্লাহ শফি, মনিরুল ইসলাম মিলন, মো. হেলাল উদ্দিন, এম এ রাজ্জাক খান, আদেলুর রহমান আদেল এমপি, সাজ্জাদ পারভেজ চৌধুরী প্রমূখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

"/>

মিল মালিক নয়, কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনতে হবে: জিএম কাদের

রাজনীতি, 19 May 2019, 286 বার পড়া হয়েছে,


জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের। ছবি-যুগান্তর

জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, মিল মালিক নয়, সরকারীভাবে কৃষকদের কাছ থেকে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ধান নির্ধারিত ন্যায্য মূল্যে কিনতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে বেসরকারী মালিকানাধীন গুদামগুলো সরকারী নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে ধান সংরক্ষণের উপযুক্ত করে ধান সংরক্ষণ করতে হবে।

শনিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বানানী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জিএম কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় চাল রফতানি ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকট ঝুঁকি বহন করে। যথাযথ পরীক্ষা-নিরিক্ষা ছাড়া তড়িৎ সিদ্ধান্ত নেয়া ঠিক হবেনা।

জিএম কাদের আরও বলেন, বোরো ধান নিয়ে কৃষকরা বিপাকে পড়েছে। হতাশাগ্রস্থ কৃষকরা বোরো মৌসুমে ধান কাটছেনা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্থানীয় কৃষক ও কৃষি বিভাগের বরাত দিয়ে প্রচারিত সংবাদে জানা গেছে, প্রতি মণ ধান উৎপাদনে কৃষকদের খরচ হয়েছে ৯০৬ টাকা ৫০ পয়সা। কিন্তু বাজারে প্রতি মণ ধানের দাম ৫শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকা। আবার ধান কাটতে একজন কৃষি শ্রমিককে তিন বেলা খাবারসহ মজুরি বাবদ খরচ হয় ৬শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। এতে কৃষকরা মাঠের ধান কাটতে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন।

জিএম কাদের বলেন, প্রতি মণ ধান যখন বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে সাড়ে ৫শ’ টাকায়। ঠিক তখন স্থানীয় বাজারে মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি মন ১৬শ’ থেকে ২ হাজার টাকায়। কৃষকদের অভিযোগ মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে আমাদের কৃষি। কৃষকদের অভিযোগ, সরকার ধান ক্রয় করে মিল মালিকদের কাছ থেকে, এতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায় না।

তিনি আরও বলেন, সংবাদ মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বিদেশে চাল রফতানি করতে বিবেচনা করছে। আমরা মনে করি, চাল রফতানির পূর্বে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে। কারণ, কোন বিশেষ পরিস্থিতিতে চাল/খাদ্যদ্রব্য প্রয়োজন হলে, দ্রুততার সঙ্গে আমদানি করা সম্ভব নয়। এতে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আলমগীর সিকদার লোটন, নাজমা আক্তার এমপি, এমরান হোসেন মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব শফিকুল ইসলাম শফিক, জহিরুল আলম জহির, হাসিবুল ইসলাম জয়, কেন্দ্রীয় নেতা শফিউল্লাহ শফি, মনিরুল ইসলাম মিলন, মো. হেলাল উদ্দিন, এম এ রাজ্জাক খান, আদেলুর রহমান আদেল এমপি, সাজ্জাদ পারভেজ চৌধুরী প্রমূখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।