নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউপির চাঁনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে কোচিং বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, চাঁনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক শামসুল আলম ও মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন যাবত কোচিং বাণিজ্য ও বিদ্যালয় বহির্ভূত কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত সোমবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক জরুরী বৈঠক শেষে শামসুল আলম ও মোহাম্মদ আলীকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম জিলানী বলেন,দীর্ঘদিন যাবত দুই জন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকায় তাদেরকে একাধিকবার শোকজ করা হলে তারা উত্তর দিতে না পারায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বিদ্যালয় হতে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর মৃধা জানান, স্বীকৃতি প্রাপ্ত বেসরকারী শিক্ষকগণের চাকরীর শর্ত বিধিমালা ১৯৭৯, সরকারের কোচিং বন্ধনীতি ২০১২ ও বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী আচরণবিধি ২০০৯ পরিপন্থী সহ নানারকম অপকর্মে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সর্বসম্মতিক্রমে তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিলন কৃষ্ণ হালদার জানান, কোচিং বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারকরা হয়েছে।

"/>

বিজয়নগরে কোচিং বাণিজ্যের কারণে দুই শিক্ষক বহিষ্কার

বিজয়নগর, 20 February 2019, 478 বার পড়া হয়েছে,


নিজস্ব প্রতিবেদক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার পাহাড়পুর ইউপির চাঁনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে কোচিং বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, চাঁনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক শামসুল আলম ও মোহাম্মদ আলী দীর্ঘদিন যাবত কোচিং বাণিজ্য ও বিদ্যালয় বহির্ভূত কাজের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত সোমবার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির এক জরুরী বৈঠক শেষে শামসুল আলম ও মোহাম্মদ আলীকে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ । বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলাম জিলানী বলেন,দীর্ঘদিন যাবত দুই জন শিক্ষক কোচিং বাণিজ্য ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকায় তাদেরকে একাধিকবার শোকজ করা হলে তারা উত্তর দিতে না পারায় তাদেরকে সাময়িকভাবে বিদ্যালয় হতে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর মৃধা জানান, স্বীকৃতি প্রাপ্ত বেসরকারী শিক্ষকগণের চাকরীর শর্ত বিধিমালা ১৯৭৯, সরকারের কোচিং বন্ধনীতি ২০১২ ও বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনী আচরণবিধি ২০০৯ পরিপন্থী সহ নানারকম অপকর্মে লিপ্ত থাকার অভিযোগে সর্বসম্মতিক্রমে তাদেরকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মিলন কৃষ্ণ হালদার জানান, কোচিং বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকার অভিযোগে তাদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারকরা হয়েছে।

Leave a Reply