নাসিরনগরে পল্লীবিদ্যুতের ভৌতিক বিল বিড়ম্বনা

নাসিরনগর, 7 February 2019, 149587 বার পড়া হয়েছে,

মোঃ আব্দুল হান্নান, নাসিরনরগ, (ব্রাহ্মণাবাড়িয়া) প্রতিনিধি ঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে যেন অনিয়মই নিয়ম! উপজেলার শীর্ষ দুর্নীতি গ্রস্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে এ প্রতিষ্ঠানটি । প্রতিনিয়ত ভৌতিক বিলসহ বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি আর হয়রানির শিকার হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকরা। সরেজমিন এলাকা ঘুড়ে বিভিন্ন ভূক্তভোগী সদস্য সহ সাধারণ লোকজনের কাছ থেকে জানা গেছে এসব তথ্য। বিদ্যুৎ অফিসের অনিয়ম দুর্নীতির কারনে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা বাড়তি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে গরীব অসহায় সাধারণ গ্রাহকে। ফান্দাউক ইউনিয়নের আতুকুড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মোঃ খোকন চৌধুরী, আজমান চৌধুরী, নূর আলম, বুড়িশ্বর ইউনিয়নের বুড়িশ্বর গ্রামের- রাজু আহম্মেদ কামাল, শ্রীঘর গ্রামের- প্রবাসী শফিকুল ইসলাম, কদমতলী গ্রামের-মোঃ গিয়াস উদ্দিন, ফান্দাউক পন্ডিতরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক প্রদীপ দেবনাথ সহ আরো অনেক ভূক্তভোগী এ প্রতিনিধিকে জানান, প্রচন্ড গরমের সময় ফ্যান, লাইট, চলার পরও আমাদের যাদের আগে প্রতি মাসে বিল আসত ৫০০ টাকা এখন শীতকাল ফ্যান না চললেও প্রতিমাসে বিল আসে ১০০০ টাকার উপরে। তারা অনেকই জানান, আগের মাসের বিল পরিশোধের পরেও তা পরবর্তী মাসের বিলের সাথে যোগ করে দেয়। এসমস্ত বিষয় নিয়ে নাসিরনগর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে তাদের জিজ্ঞেস করলে উল্টো অফিসের লোকজন ধমক দিয়ে আমরা জানিনা বলে বিদায় করে দেয়। এবিষয়ে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের বিলিং সুপারভাইজার নিলুফার ইয়াসমিনের সাথে কথা বলতে গেলে তখন সহকারী বিলিং এসিসট্যান্ট মাধবী রানী চটে গিয়ে বলেন, আমাদের কম্পিউটার সফ্ট্যওয়ারে সমস্যার কারণে এমন হচ্ছে। তাহলে নষ্ট সফ্টওয়ার দিয়ে কাজ করছেন কেন? জানতে চাইলে, বিলিং সুপারভাইজার নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আরইবি আমাদের সফ্টওয়ার ইঞ্জিনিয়ারকে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার কারণে তা সমাধান করা সম্ভব হচ্ছেনা। এবিষয়ে নাসিরনরগ পল্লীবিদ্যুৎ সমীতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (নিপুর) মোঃ নজুরুল ইসলামরে সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। ভূক্তভোগী এলাকাবাসী বিষয়টি সঠিক ভাবে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সহ উর্ধতন কতৃপক্ষের সুদৃষ্টি ও আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছে।